সুদানে ইথিওপীয় সীমান্তের ৮০ কিলোমিটার দূরে উম রাকুবা শরণার্থী শিবিরে টিগ্রের শরণার্থীদের ছবি, যারা ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছে৷ ৩০/১১/২০২০ ছবি: ইপিএ/আলা খাইর
সুদানে ইথিওপীয় সীমান্তের ৮০ কিলোমিটার দূরে উম রাকুবা শরণার্থী শিবিরে টিগ্রের শরণার্থীদের ছবি, যারা ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছে৷ ৩০/১১/২০২০ ছবি: ইপিএ/আলা খাইর

ইথিওপিয়ার টিগ্রেতে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ ঘরছাড়া বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ৷ ২০২০ সালের ৪ঠা নভেম্বর ইথিওপিয়ার সরকারের সামরিক বাহিনীর অভিযানের পর থেকে ওই অঞ্চলে সংঘাত অব্যাহত আছে৷

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এমন সব ছবি দেখেছেন তারা যেগুলো শিশু অধিকারের লঙ্ঘন৷ সংস্থার মুখপাত্র জেমস এলডার টিগ্রের উত্তরাঞ্চল সফর শেষে এ বিবৃতি দেন৷ 

স্কুলে যাচ্ছে না শিশুরা

একদিকে করোনা সংক্রমণ এবং অন্যদিকে সংঘাত এই দুই অবস্থার মধ্যে পড়েছে টিগ্রের শিশুরা৷ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ১৪ লাখ শিশু স্কুল যাচ্ছে না৷ এলডার বলেন, ‘‘নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে স্কুল খুলে দেয়া সম্ভব না৷ সংঘাতে ২৫ ভাগ স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির শিক্ষামন্ত্রী৷’’

এছাড়া বিভিন্ন স্কুল ভবনে আশ্রয় নিয়েছে ঘরছাড়া মানুষ৷ 

ওই অঞ্চলের নাটকীয় পরিস্থিতি

সম্প্রতি ইউনিসেফ এবং তার সহযোগী সংগঠনগুলো ১৩টি শহরে তদন্ত চালিয়েছে৷ তাদের মতে, টিগ্রের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে৷ সংঘাতের মধ্যে চলছে লুটপাট৷ 

এলডার জানালেন, যেসব জায়গায় মানুষ আশ্রয় নিয়েছে সেখানে তিল ধারনের জায়গা নেই৷ নেই পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা৷ ফলে করোনা সুরক্ষাবিধি মেনে চলা সম্ভব হচ্ছে না৷ আর এই পরিস্থিতির প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে শিশুদের মধ্যে৷ এছাড়া অনেক শিশু ও নারী যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও জানান তিনি৷ সামনের দিনগুলো এই শিশুরা অপুষ্টির শিকার হবে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন তিনি৷ 

এপিবি/এমএ
















 

অন্যান্য প্রতিবেদন