তিউনিশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিচেম মেছিছি ও পর্তুগিজ প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্টা। ছবি: রদ্রিগো আন্তুনেস/ইপিএ
তিউনিশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিচেম মেছিছি ও পর্তুগিজ প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্টা। ছবি: রদ্রিগো আন্তুনেস/ইপিএ

তিউনিশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিচেম মেছিছি জানান যে ইউরোপগামী অভিবাসীদের জন্য তার দেশে কোনো অভ্যর্থনা কেন্দ্র তৈরি করা হবে না।

দেশজুড়ে ইউরোপগামী অভিবাসীদের জন্য অভ্যর্থনা কেন্দ্র গড়বে না তিউনিশিয়া, জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিচেম মেছিছি। লিসবনের মিনিস্টেরিয়াল কনফারেন্স অন্য ম্যানেজমেন্ট অফ মাইগ্রেন্ট ফ্লোজ-এ একথা জানান তিনি। পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে কাউন্সিল অফ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এ সম্মেলনে অংশ নেন আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয় যে, "তিউনিশিয়াতে ইউরোপগামী বিদেশি অভিবাসীদের জন্য জন্য কোনো অভ্যর্থনা কেন্দ্র তৈরি করা হবে না, কারণ তিউনিশিয়া বর্তমানে অন্য দেশের নাগরিকদের অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত নয়। পাশাপাশি, তিউনিশিয়ার জাতীয় সার্বভৌমত্বে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ মানা হবে না।"

অভিবাসীদের ঢল কমানোর কৌশল

মেছিছি জানান, তিউনিশিয়া তার ইউরোপীয় সহযোগীদের সাথে আলোচনা করেই এ বিষয়ে একটি বহুমুখী পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। পাশাপাশি, দেশের নিরাপত্তা, আইনি জটিলতা ও সংগঠিত অভিবাসনের নানা দিক মূল্যায়ন করেই তারা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

মেছিছি আরো বলেন যে, তিউনিশিয়া অভিবাসনের সমস্যা সমাধানে বৈশ্বিক কৌশল গঠনের লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর।

'উন্নয়নের জন্য অভিবাসন'

অভিবাসনকে 'স্থায়ী সমস্যা' হিসেবে না দেখে বরং 'মানুষের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী একটি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের পন্থা' হিসাবে দেখা উচিত বলে মনে করেন মেছিছি।

এ বিষয়ে তিনি জোর দেন ১৯৯০ সালে ইটালির রোমে অনুষ্ঠিত '৫+৫ ডায়লগ'-এর ওপর। মেছিছি জানান, তিনি এই আলোচনাকে চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে, যা ভূমধ্যসাগরের দুই দিকে অবস্থিত উত্তর আফ্রিকা ও ইউরোপের দেশগুলোকে কাছাকাছি আনবে৷

অভিবাসনের সবদিক, যেমন: নিরাপত্তা, অর্থনীতি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সব বিষয়ে সার্বিক মত বিনিময়ের মঞ্চ হয়ে উঠেছে এই সম্মেলন৷ এখানে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি৷

এসএস/এপিবি (আনসা)

 

অন্যান্য প্রতিবেদন