গত সপ্তাহে আট হাজারের বেশি অভিবাসী সেউটাতে  প্রবেশ করে৷ ছবি: রয়টার্স
গত সপ্তাহে আট হাজারের বেশি অভিবাসী সেউটাতে প্রবেশ করে৷ ছবি: রয়টার্স

সম্প্রতি মরক্কো থেকে কয়েক হাজার মানুষ স্পেনের সেউটাতে প্রবেশ করায় দেশটির সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্পেন৷ আগতদের বড় অংশকে ফেরত পাঠানো হলেও অপ্রাপ্তবয়স্করা এখনও উপকূলীয় ছিটমহলটিতে অবস্থান করছে৷

সম্প্রতি সেউটাতে মরক্কো থেকে আট হাজারের বেশি অভিবাসী প্রবেশ করেন৷ এক্ষেত্রে মরক্কোর সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছে মাদ্রিদ৷ সোমবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক বৈঠকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, এই পরিস্থিতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মরক্কোর মধ্যে অভূতপূর্ব এক সংকটের জন্ম দিয়েছে৷

আফ্রিকার সঙ্গে ইউরোপের দুইটি স্থলসীমানার একটি সেউটা, অন্যটি মেলিলা৷ সানচেজ বলেন, ইইউ ও মরক্কো এবং স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে সম্পর্ক কৌশলগত... কিন্তু সেটি অবশ্যই দুইটি মৌলিক ভিত্তির উপর হতে হবে৷ প্রথমত আস্থা, দ্বিতীয়ত সম্মান, এক্ষেত্রে ইউরোপীয় সীমান্তের প্রতি, স্পেনের সেউটা ও মেলিলার সীমান্তের প্রতি সম্মান প্রদর্শন৷’’

সানচেজ ইউরোপে মরক্কোর স্বার্থ রক্ষার জন্য স্পেনের ভূমিকার কথাও বলেন৷ ‘‘আমরা মরক্কোকে সব সময়ই স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে ইউরোপে মরক্কোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্বার্থগুলো রক্ষার জন্য স্পেনের চেয়ে ভালো বা বড় কোন অংশীদার তার নেই,’’ বলেন তিনি৷

এর আগে সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, সম্প্রতি আসা অভিবাসীদের সাড়ে সাত হাজার জনই মরক্কো ফিরে গেছেন৷ তবে ১৮ বছরের কম বয়সী প্রায় এক হাজার জন এখনও সেউটায় আছে৷ গত সপ্তাহে সেউটাতে আট হাজার থেকে নয় হাজার অভিবাসী প্রবেশ করার কথা জানিয়েছেন তিনি৷ তবে সেউটা কর্তৃপক্ষের হিসাবে সংখ্যাটি আট হাজার থেকে ১০ হাজার৷ এছাড়াও মেলিলাতে প্রবেশ করেছেন ১৫০ জন৷ 

আগতদের মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের আইনি জটিলতায় ফেরত পাঠানো যায়নি৷ এই মুহূর্তে তাদের প্রত্যেকের পরিবারের খোঁজ নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ৷ সেই সঙ্গে তাদের ফেরত পাঠানো ঠিক হবে কীনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অভিভাবকহীন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের বিস্তারিত তথ্য পরীক্ষা না করে কোন দেশে ফেরত পাঠানো যায় না৷  

এফএস/কেএম (এএফপি)

 

অন্যান্য প্রতিবেদন