জার্মান ফেডারেল এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি
জার্মান ফেডারেল এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি

ইউরোপে বসবাসরত কর্মক্ষম অভিবাসীদের ৫৭ দশমিক দুই শতাংশ ২০২০ সালে কর্মসংস্থানে নিযুক্ত ছিলেন৷ এই হার সেখানকার জাতীয় ও ইইউ নাগরিকদের গড় হারের চেয়ে বেশ কম৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান দপ্তর ইউরোস্ট্যাট তথ্যটি প্রকাশ করেছে৷

হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ২০ থেকে ৬৪ বছর বয়সী নাগরিকদের ৭৩ ভাগই কর্মসংস্থানে নিযুক্ত ছিলেন৷ অন্যদিকে, অভিবাসীদের ক্ষেত্রে এই হার ৫৭ দশমিক দুই শতাংশ৷ তবে দেশ ও অঞ্চল ভেদে পরিসংখ্যানের যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে৷ যেমন, চেক রিপাবলিকের মোরাভিয়াতে ইউরোপের নাগরিক নন এমন অভিবাসীদের ৯৪ দশমিক সাত শতাংশই কাজে নিযুক্ত ছিলেন৷ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্মসংস্থানের হারটিও চেক রিপাবলিকেরই৷ দেশটির বোহেমিয়া অঞ্চলের এমন ৮৫ শতাংশ অভিবাসী কোন না কোন কাজে নিযুক্ত ছিলেন৷ 

অন্যদিকে, ৩৪টি অঞ্চলে অভিবাসীদের কর্মসংস্থানের হার ৫০ শতাংশের কম৷ এই হার ৪০ শতাংশেরও কম সাতটি অঞ্চলে৷ দক্ষিন আমেরিকায় ফ্রান্সের ছিটমহল গায়ানা, বেলজিয়ামের হেইনো ও লিয়েজ প্রদেশে অভিবাসীদের কর্মসংস্থানের হার ৩০ শতাংশের নিচে৷ 

ইটালিতে অভিবাসীদের গড় কর্মসংস্থানের হার ৬০ শতাংশ৷ এর মধ্যে সবার উপরে আছে দ্বীপ অঞ্চল সার্ডিনিয়া৷ সেখানে অভিবাসীদের ৭৯ শতাংশই কাজে নিযুক্ত৷ এরপরই রয়েছে লাৎসিও (৬৫%), ভেনেতো ও টসকানা (৬৩%)৷ দেশটিতে কর্মসংস্থানের হার সবচেয়ে খারাপ মোলিজে (৪২), বাজিলিকাটা (৪৮%) ও ক্যালাব্রিয়াতে (৫০%)৷ 

ইইউ নাগরিকদের কর্মসংস্থানের হার

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকদের একটি বড় অংশ নিজ দেশের বাইরে জোটের অন্য দেশে চাকরি বা কর্মসংস্থানে নিযুক্ত রয়েছেন৷ এমন কর্মজীবীদের হার সবচেয়ে বেশি জার্মানির রাজ্য মেকলেবুর্গ-ওয়েস্টার্ন পমেরানিয়াতে৷ সেখানে বসবাসরত ইউরোপীয় নাগরিকদের ৯৫ দশমিক ছয় শতাংশ কর্মসংস্থানে নিযুক্ত৷ তাদের ৮৫ ভাগের উপরে কর্মসংস্থানের হার রয়েছে ১৩ অঞ্চলে৷ সেগুলো জার্মানির লোয়ার বাভারিয়া, ওবারফ্রাঙ্কেন, হামবুর্গ, চেক রিপাবলিকের উত্তর-পূর্ব, দক্ষিণ-পশ্চিম, দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল, প্রাগ ও মধ্য বোহেমিয়া, নেদারল্যান্ডসের ফ্লিভোল্যান্ড, মধ্য পর্তুগাল, মাল্টা, ডেনমার্কের জিল্যান্ড ও সুইডেনের স্টকহোম৷ 

অন্যদিকে আটটি অঞ্চলে ইউরোপের অন্যদেশের নাগরিকদের কর্মসংস্থানের হার ৫০ শতাংশের কম৷ এর মধ্যে রয়েছে, ইটালির সার্ডিনিয়া, সিসিলি, কাম্পানিয়া, বাজিলিকাটা ও ক্যালাব্রিয়া এবং গ্রিসের উত্তর ও মধ্যভাগ৷ 

এফএস/কেএম - আনসা

 

অন্যান্য প্রতিবেদন