প্রতীকী ছবি। ছবি সূত্র: এএফপি
প্রতীকী ছবি। ছবি সূত্র: এএফপি

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উপর মানব পাচারকারীদের ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও তারা খুব কমই এ বিষয়ে ন্যায় বিচার পান, বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অনেকেই মানবপাচারকারীদের সহায়তায় নিজ দেশ ত্যাগ করার চেষ্টা করেন। এসময় তারা প্রায়ই নির্যাতনের শিকার হন। তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ খুব কম সময়েই এ বিষয়ে যথাযথ নজর দেয়। 

সোমবার মাদক ও অপরাধ বিষয়ক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন মন্তব্য জাতিসংঘের। 

প্রতিবেদনটি মানব পাচারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পথ যেমন ভূমধ্যসাগর হয়ে উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকা যাত্রাপথ ও মধ্য অ্যামেরিকার যাত্রাপথের বিভিন্ন বিষয়ের উপর নজর দেওয়া হয়।

পুরুষদের জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োগ আর নারীদের যৌন নির্যাতন

প্রতিবেদনটির সমন্বয়ক মরগান নিকোট জানান, নানা কারণে যেমন ভয় দেখাতে, শাস্তি দিতে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উপর নির্যাতন চালানো হয়। সহিংস ঘটনা ঘটানোর কোনো সুর্নিদিষ্ট কারণও থাকে না। 

প্রতিবেদনে আমরা পেয়েছি যে, "পুরুষ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মূলত জোরর্পূবক শ্রমে নিয়োগ করা হয় এবং তারা শারীরিক সহিংসতার শিকার হন। আর নারীদের বেলায় যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এমনকি, অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণ এবং গর্ভপাতের ঘটনাও ঘটে।"

কয়েকটি বিশেষ যাত্রাপথে এমন ঘটনা ঘটে থাকে। বিশেষ করে ট্রানজিটের অর্থাৎ যাত্রাপথের দেশগুলোতে এসব ঘটনায় তদন্ত হয়েছে বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এমন নজির কম।  

কর্তৃপক্ষ জড়িত

অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী সহিংসতার বিষয়ে অভিযোগ করতে চান না। স্থানীয় আইন অনুযায়ী তারা অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হতে পারেন এমন শঙ্কা থাকে তাদের। 

নিকোটের মতে, এমন অপরাধের একটি বড় অংশ কর্মকর্তাদের দ্বারা ঘটে থাকে, যারা এ ধরণের পাচারের সাথে যুক্ত। এমন কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন, সীমান্তরক্ষী, পুলিশ ও আটক কেন্দ্রের কর্মীরা।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি পড়ুন এখানে

আরআর/এসএস (আনসা)

 

অন্যান্য প্রতিবেদন