লিথুয়ানিয়ার একটি ক্যাম্পে অপেক্ষারত অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। ছবি: আব্বাস আল-কাশালি/ ইনফোমাইগ্রেন্টস
লিথুয়ানিয়ার একটি ক্যাম্পে অপেক্ষারত অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। ছবি: আব্বাস আল-কাশালি/ ইনফোমাইগ্রেন্টস

লিথুয়ানিয়া বেলারুশের সাথে সীমান্ত থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ফেরত পাঠাতে শুরু করলে লাটভিয়াও একই পন্থা অবলম্বন করে। জরুরি পরিস্থিতি জারি হয়েছে লাটভিয়া-বেলারুশ সীমান্তে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া ও পোল্যান্ডের সাথে সীমান্ত রয়েছে বেলারুশের। বেলারুশ থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ভিড় চাপে ফেলছে এই তিন দেশকে।

লাটভিয়া মঙ্গলবার ঘোষণা দিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তারা সীমান্তে জরুরি অবস্থা জারি করবে। বৃহস্পতিবার দেশটির সংসদে এই প্রস্তাব পাস হলে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সীমান্ত। সামরিক বাহিনী ও পুলিশের সাহায্যে লাটভিয়ার সীমান্তরক্ষীরা জরুরি পরিস্থিতিতে আরো কড়াভাবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করবে।

লাটভিয়া-বেলারুশ সীমান্ত থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে আশ্রয় আবেদনের সুযোগ ছাড়াই। বার্তাসংস্থা বিএনএস জানাচ্ছে, এই বিশেষ পরিস্থিতিতে যদি অভিবাসনপ্রত্যাশীরা সীমান্ত থেকে ফিরে যেতে না চান সেক্ষেত্রে জোর খাটানোরও অধিকার রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর।

সীমান্তে কড়াকড়ি

লিথুয়ানিয়া কর্তৃপক্ষ বেলারুশের সাথে সীমান্তে ১৩ ফুট উঁচু লোহার দেওয়াল তোলার কাজ শুরু করেছে। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দেওয়াল টপকানো থেকে বিরত রাখতে দেওয়ালের গায়ে থাকবে কাঁটাতার। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগনে বিলোতাইতে বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, "এটা খুবই স্পষ্ট যে এমন দেওয়াল ছাড়া আমাদের সীমান্ত রক্ষা অসম্ভব।"

লাটভিয়া সীমান্তে কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করতে ইতিমধ্যে এসে পৌঁছেছে ইইউ সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্স বাহিনী।

চলতি সপ্তাহে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দেশগুলির সাথে বেলারুশের তিক্ততা ও চলমান অভিবাসী সংকট নিয়ে ভিডিও বৈঠকে বসবেন ইইউ নেতৃত্ব।

এসএস/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

 

অন্যান্য প্রতিবেদন