সীমান্তে আটকে পড়া অভিবাসীদের ঘিরে আছে পোলিশ বর্ডার পুলিশ। ছবিটি ১ সেপ্টেম্বর তোলা। ছবিঃ রয়টার্স
সীমান্তে আটকে পড়া অভিবাসীদের ঘিরে আছে পোলিশ বর্ডার পুলিশ। ছবিটি ১ সেপ্টেম্বর তোলা। ছবিঃ রয়টার্স

পোল্যান্ডের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি শরণার্থী বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) প্রবেশের জন্য বেলারুশের সাথে থাকা পোল্যান্ড সীমান্তে অপেক্ষা করছে।

পোলিশ কাস্টমসের কর্মকর্তা মেজর জেনারেল টমাজ প্রাগা বলেছেন, “বেলারুশিয়ান প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর নেতৃত্বাধীন নীতিগুলি অভিবাসীদের তার ইউরোপীয় প্রতিবেশী, যেমন লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া এবং পোল্যান্ডের সীমান্তে পৌঁছে নির্বাসিত হতে সাহায্য করছে।”

চলতি সপ্তাহে ইতিমধ্যে ১৯১ টি অবৈধ সীমান্ত পারাপার এবং গত সপ্তাহে প্রায় ৩৬৭ জন অভিবাসীকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করতে বাধা দিয়েছে পোলিশ বর্ডার পুলিশ।

এছাড়া মানব পাচারকার্যে অভিযুক্ত থাকার অপরাধে ৬ জন নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পোলিশ কর্তৃপক্ষ। গ্রেফতারকৃতা জার্মানি, ফিনল্যান্ড, তাজিকিস্তান, সিরিয়া, ইরাক এবং ইরাকি বংশোদ্ভূত পোলিশ নাগরিক।

জেনারেল টমাজ প্রাগা ব্যাখ্যা করেন, সীমান্তে আটকে থাকা শরণার্থীদের অধিকাংশই জার্মানি বা ফ্রান্সে পৌঁছানোর চেষ্টা করে। অনেক অভিবাসী তাদের ভাই, বোন বা অন্যান্য আত্মীয়দের সাথেও দেখা করতে চায়, কিন্তু তারা এটি বুঝতে পারে না যে পোলিশ সীমান্ত একটি বাধ্যতামূলক পথ"।

লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া এবং পোল্যান্ডের সরকার শুরু থেকেই বেলারুশের লুকাশেঙ্কোর বিরুদ্ধে অভিবাসীদের তার দেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশে সক্রিয়ভাবে সাহায্য করার অভিযোগ এনেছে। প্রাক্তন এই সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার প্রতিক্রিয়ায় বেলারুশিয়ান প্রেসিডেন্ট নিজেই মে মাসের শেষ দিকে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।


এমএইউ/এসএস


 

অন্যান্য প্রতিবেদন