জলবায়ু পরিবর্তনের ভুক্তভোগী একটি পরিবার। (ফাইল ছবি)
জলবায়ু পরিবর্তনের ভুক্তভোগী একটি পরিবার। (ফাইল ছবি)

অপর্যাপ্ত কৃষি উৎপাদন, সুপেয় পানির অভাব সহ বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে ২১৬ মিলিয়ন ঘরছাড়া হবে বলে বলছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাক আরও বলেছে এটি পরিবর্তন হওয়ার তেমন কোন সম্ভাবনা নেই।

সোমবার বিশ্বব্যাকের একটি প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন "মানুষ বিভিন্ন কারণে তাদের ঘর ছাড়তে বাধ্য হয় যেমন অর্থনৈতিক, সামাজিক বা রাজনৈতিক কারণে। এসব সমস্যাগুলো একে অপরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মানুষের গৃহ বা নিজ শহর পরিবর্তনের আরও সম্পূর্ণ চিত্র পেতে এখন থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সময়ের সাথে সাথে এই প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার ঝোঁক লক্ষ্য করা যাচ্ছে - যেহেতু মানুষ ইতিমধ্যে তাদের নিজ দেশের এক অংশ থেকে অন্য অংশে যাত্রা করছে। 

এই প্রতিবেদনটি প্রথম ২০১৮ সালে বিশ্বের তিনটি অঞ্চল: সাব-সাহারান আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার উপর ভিত্তি করে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটি তখন উন্নয়নশীল বিশ্বের এই অংশগুলিতে ২০৫০ সালের মধ্যে ১৪৩ মিলিয়ন "জলবায়ু অভিবাসী" হওয়ার অনুমান করেছিল। যেটি এবারের প্রতিবেদনে ২১৬ মিলিয়নে নেমে এসেছে। 

প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাকের টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জুয়ার্গেন ভয়েগেল বলেন, “দরিদ্র দেশগুলোর একটি বৈশ্বিক সংখ্যা পেতে এবারের প্রতিবেদনে নতুন করে আরও তিনটি অঞ্চলকে যুক্ত করা হয়েছে। সেগুলো হলোঃ পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল, উত্তর আফ্রিকা এবং পূর্ব ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার অংশ বিশেষ।”


প্রতিবেদনে গবেষকরা আরও বলেছেন, “২১৬ মিলিয়ন মানুষ এই অঞ্চলগুলোর মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩% মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করে।”

তবে সংখ্যাটি আরও বেশি হতে পারে কারণ বিশ্বব্যাংক উত্তর আমেরিকা, ইউরোপের ধনী দেশ এমনকি মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা অভিবাসীদের এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করেনি। এসব দেশগুলোতেও জলবায়ু বিপর্যয় চলছে।


পুরো প্রতিবেদনের লিংকঃ Millions on the Move in Their Own Countries: The Human Face of Climate Change


এমএইউ/এসএস


 

অন্যান্য প্রতিবেদন