গ্রিসে আসা আফগান শরণার্থীরা | ছবি: রয়টার্স
গ্রিসে আসা আফগান শরণার্থীরা | ছবি: রয়টার্স

আফগানিস্তান থেকে শরণার্থীদের নিয়ে গ্রিসে এসে পৌঁছেছে একটি বিমান। সেই বিমানে রয়েছেন শতাধিক আফগান আইনজীবী, সাংবাদিক, বিচারক ও সাধারণ নাগরিক, যারা তাদের কাজের জন্য তালেবানের হুমকিতে ছিলেন।

গ্রিসের উত্তরাঞ্চলের শহর টেসালোনিকিতে সোমবার কাবুল থেকে এসে পৌঁছায় একটি বিমান। সেই বিমানের মোট ১১৯জন যাত্রী তালেবান গোষ্ঠীর কাছ থেকে হুমকি পাওয়ায় গ্রিসে সাময়িকভাবে আশ্রয় পেয়েছেন।

গ্রিক কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয় যে এই যাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক আফগান সীমান্ত ও আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রী মোহিবুল্লাহ সামিম। যাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন এমন এক আইনজীবী, যিনি তালেবানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা পরিচালনা করায় ঝুঁকিতে ছিলেন।

বার্তা সংস্থা এপি জানাচ্ছে, ক্যানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে যাবার অনুমতি পাওয়া পর্যন্ত এই আফগান নাগরিকরা গ্রিসে থাকবেন।

ডিপিএ জানিয়েছে, তালেবান কাবুলের ক্ষমতা দখলের পর এখন পর্যন্ত গ্রিসে এসে পৌঁছেছেন মোট ৮১৯ জন আফগান। এপি বলছে এই সংখ্যা সাতশোর কাছাকাছি।

গ্রিসের সীমান্তে কড়াকড়ি

গত কয়েক মাস ধরে গ্রিস তার পূর্বদিকের সীমান্তে কড়াকড়ি বাড়িয়েছে। পাশাপাশি, কড়া নজরদারি চালু হয়েছে দেশটির জলসীমাতেও। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা অভিযোগ করেছে যে গ্রিস থেকে জোর করে তুরস্কের দিকে অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা আগের তুলনায় বেড়েছে।

অক্টোবর মাসে প্রকাশিত একটি তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় কীভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে পাওয়া অর্থ এইসব পুশব্যাকের পেছনে খরচ করছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। গ্রিস জোর গলায় এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

এছাড়া, যে সকল অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আশ্রয়ের আবেদন গৃহীত হবার সম্ভাবনা রয়েছে, তাদেরকে গ্রিক দ্বীপের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে সরিয়ে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে যাবার কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন অন্তঃসত্ত্বা নারী, অসুস্থ ব্যক্তি ও বয়স্করাও।

বেনজামিন বাথকে/এসএস (ডিপিএ, এপি)

 

অন্যান্য প্রতিবেদন