২০২০ সালে গ্রিসের একটি শরণার্থী শিবিরে আগুন লাগার ঘটনার প্রতিবাদে জার্মানিতে রাস্তায় নেমে আসে শত শত মানুষ৷ ফটো: ইমাগো
২০২০ সালে গ্রিসের একটি শরণার্থী শিবিরে আগুন লাগার ঘটনার প্রতিবাদে জার্মানিতে রাস্তায় নেমে আসে শত শত মানুষ৷ ফটো: ইমাগো

ইউরোপের বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে পছন্দের গন্তব্য জার্মানি৷ জার্মান সরকারের ২০২০ সালের অভিবাসন প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে৷

প্রতিবেদনে বলা হয়, যে দশটি দেশ থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ২০২০ সালে জার্মানিতে এসেছেন তার আটটিই ইউরোপের দেশ৷ 

এর মধ্যে রুমানিয়া থেকে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি৷ জার্মানিতে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের শতকরা ১৫ দশমিক সাত ভাগ রুমানিয়ার নাগরিক৷ তাছাড়া পোল্যান্ড থেকে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা শতকরা আট দশমিক সাত ভাগ এবং বুলগেরিয়া থেকে শতকরা ছয় ভাগ৷   

করোনা মাহামারির কারণে বিভিন্ন ধরনের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ২০২০ সালে ১১ লাখ ৯০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী জার্মানিতে এসেছেন৷ এর মধ্যে নয় লাখ ৬৬ হাজার ৪৫১ জন জার্মানি ত্যাগ করেছেন৷ সে হিসেবে ২০২০ সালে দুই লাখ ২০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী জার্মানিতে থেকে গেছেন৷  

কর্মসংস্থানভিত্তক অভিবাসনে জোরারোপ নতুন সরকারের   

জার্মানিতে বিভিন্ন ধরনের অভিবাসনের মধ্যে রয়েছে পড়াশোনা করতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগমন, পারিবারিক পুনর্মিলন এবং চাকরি নিয়ে দেশটিতে আসা৷ ২০০২ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বসবাসের অনুমতি বা রেসিডেন্স পারমিট নিয়ে জার্মানিতে এসেছেন ২৯ হাজার ৭৪৭ জন৷ 

পড়ুন: কর্মী সংকট মেটাতে বড় আকারে অভিবাসন প্রয়োজন: জার্মান অর্থমন্ত্রী

তবে ২০২০ সালে ইউরোপের বাইরের দেশগুলো থেকে জার্মানিতে দক্ষ কর্মী আসার প্রক্রিয়া করোনা ভাইরাসের বিধিনিষেধের কারণে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ 

ক্ষমতাসীন দল এসপিডির পার্লামেন্টারি গ্রুপের অভিবাসন বিষয়ক মুখপাত্র লারস কাস্টেলুচি বলেন, শ্রমবাজারে বর্তমান পরিস্থিতি অর্থাৎ শ্রমিকের ঘাটতি পূরণে এখনই জার্মানিকে অভিবাসন বিষয়ে নতুন পথ খুঁজে বের করতে হবে৷ 

আর তা নানাভাবেই হতে পারে৷ যেমন, যারা এখানকার সমাজের সাথে মানিয়ে নিতে পারছে তাদের দ্রুত বসবাসের অনুমতি দিতে হবে, বলেন তিনি৷

আরআর/জেডএইচ

 

অন্যান্য প্রতিবেদন