সাইপ্রাসের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত একদল আশ্রয়প্রার্থী  | ছবি: পিকচার অ্যালায়েন্স
সাইপ্রাসের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত একদল আশ্রয়প্রার্থী | ছবি: পিকচার অ্যালায়েন্স

চলতি বছর এরই মধ্যে সাতশর বেশি অভিবাসী সাইপ্রাস পৌঁছেছেন৷ দেশটির ফিলেলেফথেরোস সংবাদপত্র বুধবার এই তথ্য জানিয়েছে৷

দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ অভিবাসীদের চাপে হিমশিম খাচ্ছে৷ বিগত বছরগুলোতে দেশটিতে জমা পড়া উনিশ হাজারের মতো আশ্রয়ের আবেদন এখনো যাচাইবাছাই শেষ করা যায়নি৷ 

দ্বীপটিতে থাকা দুটি অভিবাসী অভ্যর্থনা কেন্দ্রে ধারনক্ষমতার চেয়ে বেশি অভিবাসী অবস্থান করছেন৷ এগুলোর একটি রাজধানী নিকোশিয়ার কাছে এবং অন্যটি বন্দরনগর লার্নাকায় অবস্থিত৷ অবস্থা এমন যে শত শত মানুষ শিবিরের বাইরে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন৷  

ভয়াবহ এই পরিস্থিতির কারণে যৌন পেশায় যোগ দেয়া এবং ছোট ছোট অপরাধ বাড়ছে বলেও জানিয়েছে পত্রিকাটি৷

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্যান্য ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোকে তাদের হিস্যা অনুযায়ী সাইপ্রাস থেকে অভিবাসন প্রত্যাশীদের নিয়ে যাওয়ার আহ্বান পুনরায় জানাবে নিকোশিয়া৷

ইইউর পরিসংখ্যান বলছে, ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিক কারণে জনসংখ্যা বিবেচনায় ইইউভুক্ত অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি অভিবাসী ২০২০ সালে সাইপ্রাসে প্রবেশ করছেন৷   

সিপ্রিয়ট সরকার জানিয়েছে যে বিভক্ত দ্বীপটির উত্তরের তুর্কি-সিপ্রিয়ট অংশ থেকে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী দেশটিতে প্রবেশ করছেন৷ মানবপাচারকারীরা জনপ্রতি তিনশ থেকে পাঁচশ ইউরোর বিনিময়ে দ্বীপটির তুর্কি-সিপ্রিয়ট অংশ থেকে দক্ষিণের গ্রিক-সিপ্রিয়ট অংশে অভিবাসীদের পাচার করছে৷ কেননা এই অংশ থেকে ইইউতে আশ্রয়ের আবেদন করা যায়৷ 

এআই/এফএস (ডিপিএ)

 

অন্যান্য প্রতিবেদন