স্পেন-ফ্রান্স সীমান্তের একটি অংশ। ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস
স্পেন-ফ্রান্স সীমান্তের একটি অংশ। ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস

অভিবাসী পাচারে জড়িত স্পেনীয় নাগরিককে ১০ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ফ্রান্সের স্থানীয় আদালত৷ দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের শহরে বায়োনে ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে মানবপাচারের অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে৷ শুনানি শুরু হয় আদালতে৷ শুধু ১০ মাসের হাজতবাসই নয়, আগামী পাঁচ বছরের জন্য ফ্রান্সে এই ব্যক্তির প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত৷

স্পেনের সীমান্তবর্তী এলাকা ইরুন এবং ফ্রান্সের বায়োন শহরের মধ্যে অভিবাসী পাচারে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয় এক ব্যক্তিকে৷ ২৮ বছর বয়সি ওই অভিযুক্ত আদালতে শুনানি এবং রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন৷ পুলিশের তদন্তে উঠে আসে মোট ছয় দফায় তিনি স্পেন থেকে অভিবাসীদের ফ্রান্সে অবৈধভাবে প্রবেশ করিয়েছেন৷

ফরাসি সংবাদ মাধ্যম সুদ-ওয়েস্ট জানিয়েছে, আদালতের রায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ১০ মাসের কারাদণ্ড এবং পাঁচ বছরের জন্য ফরাসি ভূখন্ডে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে৷  

অভিযুক্ত আদালতে জানায়, অর্থ উপার্জনের জন্য এই কাজে যুক্ত হন তিনি৷ এই প্রসঙ্গে এক বন্ধুর উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘‘বন্ধুকে অনুসরণ করে সীমান্তবর্তী শহর ইরুনে গিয়েছিলাম৷ সে আমাকে অভিবাসীদের নিয়ে ফ্রান্সে পৌঁছে দেয়ার প্রস্তাব দেয়৷ ৩১ মার্চ থেকে মোট ছয়বার যাতায়াত করেছি৷’’ 

তিনি প্রতি যাত্রীর কাছ থেকে ৮০ ইউরো বা তার কম পরিমাণ অর্থ নিয়েছেন, দাবি করেছেন অভিযুক্ত৷

গত শনিবার ২ এপ্রিল রাতে ফ্রান্সের পিরেনে আটলান্টিক ডিপার্টমেন্টের বিরিয়াতো টোলবুথ থেকে অভিযুক্তের চালানো গাড়িটি জব্দ করে ফরাসি পুলিশ৷ গাড়িটি জব্দ করার সময় অভিযুক্ত চালকের কাছ থেকে নগদ ৭৫ হাজার টাকা মিলেছে৷ গাড়িতে থাকা চার মত্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ৷


এমএইউ/আরকেসি


 

অন্যান্য প্রতিবেদন