(ফাইল ছবি) ভূমধ্যসাগরে একটি অভিবাসী নৌকায় ঝুঁকিতে থাকা অভিবাসীদের উদ্ধারের দৃশ্য। ছবি: এমএসএফ
(ফাইল ছবি) ভূমধ্যসাগরে একটি অভিবাসী নৌকায় ঝুঁকিতে থাকা অভিবাসীদের উদ্ধারের দৃশ্য। ছবি: এমএসএফ

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সলিল সমাধি হিসেবে আখ্যা পাওয়া ভূমধ্যসাগরের লিবিয়া উপকূলে গত শনিবার আবারও একটি নৌকাডুবিতে মারা গেছেন ছয় অভিবাসী। আন্তজার্তিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম জানিয়েছে, এই ঘটনার নিখোঁজ রয়েছে আরও ২৯ জন। ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ অভিবাসীদের কেউই আর বেঁচে নেই।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, লিবিয়া উপকূলে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় ছয় অভিবাসী নিহত হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় আরও ২৯ জন অভিবাসী নিখোঁজ রয়েছেন যারা 

আইওএম জানিয়েছে, “অভিবাসীরা একটি ছোট কাঠের নৌকায় চড়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছিল। এই সপ্তাহে লিবিয়া উপকূল থেকে কমপক্ষে ৫৩ জন অভিবাসী মৃত বা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।”

জাতিসংঘের এই সংস্থাটি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জানায়, “ভূমধ্যসাগরে মানুষের ক্রমাগত প্রাণহানিকে স্বাভাবিকভাবে নেওয়া উচিত নয়। মানুষের মৃত্যু এবং কষ্ট প্রতিরোধ করার জন্য নিবেদিত বিশেষ অনুসন্ধান, উদ্ধার কার্যক্রম ক্ষমতা এবং একটি নিরাপদ অবতরণ ব্যবস্থার প্রয়োজন।"


এই ঘটনার এক সপ্তাহ আগে লিবিয়ার উত্তর-পশ্চিমে অভিবাসীদের অন্য একটি নৌকাডুবিতে ৪ জনের মৃত্যু এবং ১৪ জনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে আইওএম

শনিবার নৌকাডুবির ঘটনার আগে ১১ এপ্রিল প্রকাশিত একটি ঘোষণায় আইওএম জানিয়েছিল, “চলতি বছরের শুরু থেকে কমপক্ষে ৪৭৫ জন লোক মধ্য ভূমধ্যসাগর অতিক্রম করার চেষ্টা করে মারা গেছে।”

পড়ুন>>লিবিয়ার সমুদ্ররক্ষীদের প্রশিক্ষণ দেবে না জার্মানি

সম্প্রতি আইওএম লিবিয়ার মিশনের প্রধান ফেদেরিকো সোডা এক বক্তব্যে বলেন, “সমুদ্রে মানুষের মৃত্যু কমাতে এবং লিবিয়ায় একটি নিরাপদ ও মানবাধিকার-ভিত্তিক আশ্রয় পদ্ধতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, কোনও দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় একের পর এক বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতির ঘটনা ঘটছে।”



এমএইউ/আরআর


 

অন্যান্য প্রতিবেদন