এশিয়ার ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা অবৈধ পথে ইউরোপে পৌঁছার চেষ্টা করে থাকেন৷ ফাইল ফটো৷ - আনসা
এশিয়ার ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা অবৈধ পথে ইউরোপে পৌঁছার চেষ্টা করে থাকেন৷ ফাইল ফটো৷ - আনসা

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে, অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত অবৈধ পথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে প্রবেশের ৪০ হাজারেরও বেশি ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ফ্রন্টেক্স৷

অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রবেশের ঘটনার সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় শতকরা ৫৭ ভাগ বেশি বলে জানিয়েছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিয়ে কাজ করা সংস্থাটি৷  

এদিকে অবৈধ পথে এত বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীর প্রবেশের ঘটনা সার্বিকভাবেও বিরল৷ ফ্রন্টেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের পর এই প্রথম কোনো বছরের প্রথম তিন মাসেই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে অবৈধ পথে প্রবেশের ৪০ হাজার ঘটনা ঘটেছে৷ 

উল্লেখ্য, জরিপে বেসরকারি সংস্থা ফ্রন্টেক্স অবৈধভাবে প্রবেশ করা অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা নয়, বরং সীমান্ত পারাপারের ঘটনা লিপিবদ্ধ করেছে৷ সেই হিসেব অনুযায়ী, কোনো কোনো অভিবাসনপ্রত্যাশী একাধিকবার সীমান্ত পাড়ি দিয়েছে এমন ঘটনাও ঘটে থাকতে পারে৷ 

পূর্ব ভূমধ্যসাগর, বলকান এবং ক্যানারি দ্বীপে সীমান্ত পাড়ির ঘটনা বেশি


চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ইউরোপে প্রবেশের বেশির ভাগ রুটেই পারাপারের ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে৷ তবে কিছু কিছু যাত্রাপথে সীমান্ত অতিক্রমের ঘটনা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে বলে দাবি সংস্থাটির৷  

যেমন পূর্ব ভূমধ্যসাগর হয়ে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার মোট সাত হাজার পাঁচটি ঘটনা ঘটেছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৩২ শতাংশ বেশি৷ আর পশ্চিম বলকান রুটে পারাপারের ঘটনা বেড়েছে শতকরা ১১৫ ভাগ৷ ওই রুটে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে মোট ১৮ হাজার ৩৪৩টি এমন ঘটনা ঘটেছে৷ তাছাড়া উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকা থেকে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপে যাওয়ার মোট পাঁচ হাজার ৮৫৫টি ঘটনা ঘটেছে৷ চলতি বছর এই পথ ধরে সীমান্ত অতিক্রমের ঘটনা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় শতকরা ৭০ ভাগ বেশি৷ 

আরআর/এসিবি (আনসা)

 

অন্যান্য প্রতিবেদন