যুক্তরাজ্যে কোন আশ্রয়প্রার্থী অনুমতি ছাড়া কাজ করলে ছয় মাস পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা হতে পারে।  ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস
যুক্তরাজ্যে কোন আশ্রয়প্রার্থী অনুমতি ছাড়া কাজ করলে ছয় মাস পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা হতে পারে। ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস

সহজ ও দ্রুত চাকুরির জন্য পরিচিতি পাওয়া যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজারে বর্তমানে চাকুরি খুঁজে পেতে লড়াই করতে হচ্ছে শরণার্থীদের। এছাড়া হাতেগোনা কিছু আশ্রয়প্রার্থী আছেন যারা একটি বৈধ চাকুরি যোগাড় করতে সক্ষম হচ্ছেন। অনুমতি ছাড়া বা কালো কাজ করে ধরা পড়ার ভয়ে অনেকেই আছেন বেকার।

লন্ডন থেকে ইনফোমাইগ্রেন্টসের বিশেষ সংবাদদাতা শার্লত ওবেরতির বিশেষ প্রতিবেদন।

উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের হ্যারোতে অবস্থিত এক বিশাল অ্যাপার্টমেন্টের বারান্দায় বসে আছেন সদ্য ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়া ৩৭ বছর বয়সি সিরীয় শরণার্থী বুরাক আলসমাদি। বিশাল দামি এই ফ্ল্যাটটি তিনি ২০১৮ সালে কিনেছিলেন। বাসাটির বারান্দাতে কি করে সাজানো যায় সেটি ভাবছেন বুরাক। বিড় বিড় করে বললেন অবসরে সিসা ধূমপান করার একটি লাউঞ্জ করলে মন্দ হয় না। 

ইংরেজ মাটিতে আট বছর ধরে আছেন বুরাক আলসমাদি। কখন যে বিদ্যুতের গতিতে এতগুলো সময় চলে গেল এই সিরীয় সেটি ভাবছেন আর অবাক হচ্ছেন। 

সামাজিক ও কর্মজীবনে অত্যন্ত সফল এই অভিবাসী সিরিয়ায় সংকট শুরুর দিকে ২০১৪ সালে যুক্তরাজ্যে চলে এস শরণার্থী মর্যাদা পেয়ে বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি পেয়েছিলেন। পেশায় তিনি একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ও অ্যাপল পণ্যের বিশেষজ্ঞ হওয়ায় চাকরির বাজারে পেয়েছেন একচেটিয়া সুবিধা। বর্তমানে একটি প্রথমসারির টেককোম্পানির কর্মকর্তা ও আরেকটি ছোট কোম্পানির দ্বিতীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শরণার্থী থেকে ব্রিটিশ নাগরিক হওয়া বুরাক। পাশাপাশি অবসরে তিনি সদ্য সাড়া জাগানো ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েনে সময় দেন বলে জানান। 

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়া ৩৭ বছর বয়সি সিরীয় শরণার্থী বুরাক আলসমাদি। যিনি পেশায় একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ও অ্যাপল পণ্য বিশেষজ্ঞ।  ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস
ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়া ৩৭ বছর বয়সি সিরীয় শরণার্থী বুরাক আলসমাদি। যিনি পেশায় একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ও অ্যাপল পণ্য বিশেষজ্ঞ। ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস


বুরাক আলসমাদি ইনফোমাইগ্রেন্টসকে জানান, “আমি স্পষ্টতই একদম ব্যতিক্রমী উদাহরন। যুক্তরাজ্যে আসা সব আশ্রয়প্রার্থী ও শরণার্থীদের এরকম ভাগ্য নেই।”

ইংল্যান্ড শুরুতে তার প্রথম পছন্দের দেশ ছিল না। সিরিয়ায় সংকট শুরুর পর বুরাক আলসমাদি দুই বছর দুবাইয়ে বসবাস করেন।

তিনি যোগ করেন, “সংযুক্ত আরব আমিরাত এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি একজন বিদেশি থেকে কখনো স্থায়ী বাসিন্দা হতে পারবেন না।”

এরপর তিনি স্পেনে যাওয়ার কথা চিন্তা করলেও দেশটির দুর্বল অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। তারপর তার চিন্তায় আসে শিল্প ও পরিশ্রমের দেশ জার্মানি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে জার্মানিতে ছাত্র ভিসায় আবেদন করে প্রত্যাখাত হন বুরাক।  

সর্বশেষ উপায় না দেখে যুক্তরাজ্যে ভিসা পেয়ে চলে আসেন এই সিরীয়। 

উত্তর-পশ্চিম লন্ডনে অবস্থিত বুরাক আলসমাদির বিশাল বাসার সামনের বারান্দা। ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস
উত্তর-পশ্চিম লন্ডনে অবস্থিত বুরাক আলসমাদির বিশাল বাসার সামনের বারান্দা। ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস


ব্যতিক্রম

বুরাক আলসমাদির "সাফল্যের গল্প" মূলত ইংল্যান্ডের আসা শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য একটি স্বপ্ন ও কল্পনার মতো। বহুদিন ধরে যুক্তরাজ্য অভিবাসীদের কাছে দ্রুত ও সহজে চাকুরি পাওয়া্র জন্য প্রসিদ্ধ দেশ হিসেবে খ্যাত ছিল। সে কারণে ব্রিটিশ ভূখণ্ডে যাওয়ার আগে বেশিরভাগ অভিবাসী বিশ্বাস করে যে তারা বড় কোন অসুবিধা ছাড়াই সেখানে কাজ খুঁজে পেতে সক্ষম হবেন। কিন্তু ইংলিশ চ্যানেল জুড়ে পরিস্থিতি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে খারাপ হতে চলেছে।

বুরাক আলসমাদির বাসায় সাজিয়ে রাখা বিয়ের ছবি। ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস
বুরাক আলসমাদির বাসায় সাজিয়ে রাখা বিয়ের ছবি। ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস


২০২১ সালের শুরু থেকে দেশটি নতুন করে একটি পয়েন্ট ও কোটাভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বুরাক আলসমাদির মতে, “নতুন এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হচ্ছে যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের প্রবেশ সীমিত করা এবং উচ্চদক্ষতা সম্পন্ন অভিবাসীদের চাকরিতে অগ্রাধিকার দেওয়া।”

বুরাক যুক্তরাজ্যে ছাত্র ভিসা নিয়েও প্রবেশ করলেও তিনি সেটি শেষ করেননি। আসার সাথে সাথেই তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করে ছয় মাসের মধ্যে শরণার্থীর মর্যাদা পেতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার পেশাগত দক্ষতার কারণে তিনি অনেকগুলো কাজের প্রস্তাব পেতে সক্ষম হওয়ায় দ্রুত চাকুরির বাজারে প্রবেশ করেছিলেন। 

তিনি জানান, “আমি আমার সিরিয়ান বন্ধুদের মধ্যে একমাত্র ব্যতিক্রম। আমার পরিচিত বেশিরভাগ শরণার্থীদের যুক্তরাজ্যে চাকুরি খুঁজে পেতে আবারও একটি দীর্ঘমেয়াদী কোর্সে ভর্তি হতে হয়েছিল। এমনকি তাদের মধ্যে অনেকের আগে থেকে ডিপ্লোমা থাকা সত্ত্বেও এটি করতে হয়েছিল। চাকুরির বাজারে ব্রিটিশদের সাথে লড়াই করতে নিজেদের প্রস্তুত করতে এটি ছাড়া তাদের কাছে আর কোনো বিকল্প খোলা ছিল না।”

ভালো নেই নতুন আসা আশ্রয়প্রার্থীরা

ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে বেশ পাঁচ মাস আগে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেছেন আফগান আশ্রয়প্রার্থী ইসমাতুল্লাহ ফেতরাত। 

তার কাছে মনে হচ্ছে, তিনি ইতিমধ্যেই হেরে গিয়ে জীবনের প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েছেন। আফগানিস্তানে পেশায় একজন পরিবহন প্রকৌশলী ছিলেন তিনি। যুক্তরাজ্যে শরণার্থী মর্যাদা পেলে তাকে এখানে আবার নতুন করে কোনো কোর্স করতে হবে।

রাজধানী লন্ডনের উপকণ্ঠে একটি পাবের নির্জন বারান্দায় বসে তিনি ইনফোমাইগ্রেন্টসকে বলেন, “এখানে সবাই আমাকে বলে, আমার যোগ্যতার সাথে মেলে এমন চাকরি আমি কখনই খুঁজে পাবো না।”

এলাকার অনেক দোকানগুলোর মতো এই রেস্তোরাঁও দুপুরের আগে খোলে না। সকালে উঠে ইসমাতুল্লাহ সাধারণত বিছানায় থাকেন।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, “আমি আর কী করবো? আমার এখানে এখনও কাজ করার কোনো অনুমতি নেই। আমি কোনো প্রকার পড়াশোনাও করতে পারছি না। মাঝে মাঝে হাঁটতে যাই, কিন্তু বেশিরভাগ সময় আমি আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত হোটেল রুমে কম্বলের নীচে থাকি।”

শ্রমিক ঘাটতি সত্ত্বেও নেই সহজ অভিবাসনের সম্ভাবনা

ইংল্যান্ডে ইসমাতুল্লাহ’র মতো নতুন আসা আশ্রয়প্রার্থীরা কাজ করতে পারে না। কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ছাড়া।এনজিও ফ্রিডম ফর্ম টর্চারের আশ্রয় আইন বিশেষজ্ঞ সাইল রেনল্ডস বলেন, “আইন অনুযায়ী একজন আশ্রয়প্রার্থী হিসাবে ব্রিটিশ ভূখণ্ডে উপস্থিতির এক বছর পরে কাজের অনুমটির জন্য আবেদন করা সম্ভব। তবে এটি শুধুমাত্র সরকারের চাহিদা থাকা নির্দিষ্ট কাজের জন্য আবেদন করলে অনুমতি দেয়া হয়।”

২০২১ সালের ৩ নভেম্বর, ইংলিশ চ্যানেলের যুক্তরাজ্যে উপকূল থেকে উদ্ধার হন আফগান আশ্রয়প্রার্থী ইসমাতুল্লাহ ফেতরাত। ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস
২০২১ সালের ৩ নভেম্বর, ইংলিশ চ্যানেলের যুক্তরাজ্যে উপকূল থেকে উদ্ধার হন আফগান আশ্রয়প্রার্থী ইসমাতুল্লাহ ফেতরাত। ছবি: ইনফোমাইগ্রেন্টস


অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কেন্দ্র মাইগ্রেশন অবজারভেটরির মতে, “বিদেশে জন্মগ্রহণকারী এবং ইংল্যান্ডে বসবাসরত ২৮ শতাংশ লোক হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং ক্যাটারিং শিল্পে কাজ করে। এই সেক্টরে কোভিড মহামারি এবং ব্রেক্সিটের পরও কাজের চাহিদা কমে নি। উল্টো শ্রমিক ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাজ্যজুড়ে পরিবহন এবং গুদাম ও হিমাগার বা কোল্ড স্টোরেজ ও স্টোরেজ খাতে প্রায় ২৬ শতাংশএবং আইটি ও প্রযুক্তি খাতে প্রায় ২৫ শতাংশ শ্রমিক ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে শ্রমিক সংকটের সময় ট্রাক চালকদের জন্য বেশ কিছু ওয়ার্ক পারমিট দেয়া হলেও ইউকে চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট রুবি ম্যাকগ্রেগর-স্মিথ বলেছিলেন, “নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসার সংখ্যা “অপর্যাপ্ত” এবং এই মাত্রার সমস্যা সমাধানের জন্য যথেষ্ট নয়। এই ঘোষণাটি মূলত এক গ্লাস পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করার মতো।”

“কালো কাজ? বেশ কঠিন!”

দুই বছর আগে ইংলিশ চ্যানলে পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে আসা ২৬ বছর বয়সি ইরানি আশ্রয়প্রার্থী রামিয়ার জালালির কেতাবি অর্থে কাজের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো নিয়োগকর্তা তাকে চাকুরি দিতে চান না।

এক সময় ইরান ও ইরাকের সীমান্তে পেট্রল এবং অন্যান্য পণ্য পরিবহন করে জীবন চালানো এই আশ্রয়প্রার্থীর আর কোন কাজের দক্ষতা নেই। তিনি দেশের উত্তর-পশ্চিমে ল্যাঙ্কাশায়ারের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকেন, যেখানে কর্তৃপক্ষ তাকে একটি অস্থায়ী বাসায় থাকার অনুমতি দিয়েছে। 

অন্য চার আশ্রয়প্রার্থীর সাথে তিনি বসবাস করছেন। সুযোগের অভাবে দুই বছর ধরে তাদের কেউই কিছু করতে পারছে না।

রামিয়ার জালালি বলেন, “আমি একটি শ্যাম্পু ফ্যাক্টরিতে আবেদন করেছিলাম কিন্তু তারা জানায় আমার কাজের অনুমোদনের সমস্যা আছে। আমি একবার অনুমতি পেয়েছি কিন্তু এটি আবার আটকে গেছে। এখন তারা বলছে এই কাজের জন্য আলাদা 'কোড' দরকার। আমি জানি না আসলে এটি কী এবং কিভাবে পেতে পারি।”

"ক্লান্ত", "সব সময় চাপে" থাকা এই শরণার্থী সপ্তাহে দুবার ইংরেজি পাঠ নিতে বাইরে যান। তার মতে, বেআইনিভাবে কাজ বা কালো কাজ করার কোন ইচ্ছাই আমার নেই। আমি এটি করতে চাই না কারণ পুলিশ এসে আমাকে যাচাই করতে পারে এবং আমাকে পাঠিয়ে দেয়ার হুমকি দিতে পারে।”

যুক্তরাজ্যে কোন আশ্রয়প্রার্থী অনুমতি ছাড়া কাজ করলে ছয় মাস পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা হতে পারে। এছাড়া যেকোন বর্তমান আইন ভঙ্গের কারণে ভবিষ্যতের ওয়ার্ক পারমিটের আবেদনের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। 

আশ্রয়প্রার্থীদের সারিতে থাকা বহু লোক তাই গোপন কাজকে ভয় পান, যা তাদের জন্য অনেক প্রয়োজন সত্ত্বেও। অধিকন্তু, অভিবাসীর যেখানেই থাকুক না কেন, নৈতিক ও আইনি ভাবে ‘কালো কাজ’ করার বিষয়টি একটি বড় সামাজিক প্রশ্ন হিসেবে দেখা দেয়। 

ম্যানচেস্টার অঞ্চলের একজন ৩০ বছর বয়সি ইরানি জানান, তিনি মাঝেমধ্যে অনুমতি ছাড়ায় অর্থাৎ কালোতে রেস্তোরাঁ, নির্মাণকেন্দ্র ও গৃহস্থালির কাজ করেন দৈনিক ২০ থেকে ৩০ পাউন্ড বা আড়ায় থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকার বিনিময়ে। ইরানে তিনি একজন প্রথমসারির ক্রীড়াবিদ ছিলেন। তার আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়ে গেলে দুই বছর ধরে রাস্তায় বসবাস করছেন। তিনি এখন যুক্তরাজ্য ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা ভাবছেন। 

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ভাতা ৪০ পাউন্ড প্রতি সপ্তাহে। অর্থাৎ মাসে ১৬০ পাউন্ড বা ১৯ হাজার টাকা। 

আশ্রয় আইন বিশেষজ্ঞ সাইল রেনল্ডস ব্যাখ্যা করেন, “আশ্রয়প্রার্থীরা দীর্ঘস্থায়ী দারিদ্র্য অবস্থায় বছরের পর বছর থাকতে থাকতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তাদের নির্দিষ্ট চাহিদার বাইরে আর কিছুই তারা পূরণ করতে পারেন না। এই অর্থের অভাব তাদের সামাজিকীকরণে বাধা দেয়। যুক্তরাজ্যে গণপরিবহনে চলাফেরার খরচ খুব বেশি। আশ্রয়প্রার্থীরা অনেক সময় স্থানীয় কমিউনিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানেও যেতে পারে না। তারা খুব বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।”


মূল প্রতিবেদন শার্লত ওবেরতি। ইনফোমাইগ্রেন্টস বাংলায় ফরাসি থেকে ভাষান্তর মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ।


এমএইউ/এআই
























 

অন্যান্য প্রতিবেদন