বার্লিনের টেগেল বিমানবন্দরে ইউক্রেনীয় শরণার্থীরা | ছবি: স্টেফি লুস/এপি/পিকচার-অ্যালায়েন্স
বার্লিনের টেগেল বিমানবন্দরে ইউক্রেনীয় শরণার্থীরা | ছবি: স্টেফি লুস/এপি/পিকচার-অ্যালায়েন্স

নতুন যে শরণার্থীরা বার্লিন আসছেন, তাদের থাকার জায়গা দিতে হিমশিম খাচ্ছে বার্লিন। বার্লিনের এক সেনেটর জানিয়েছেন, আবাসনের গুণগত মান কমানোর বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না

সদ্য বার্লিনে আসা শরণার্থীদের জন্য যে আবাসন ঠিক করা হয়েছিল, তার অধিকাংশই ভর্তি হয়ে গেছে। বার্লিনের ইন্টিগ্রেশন, শ্রম ও সামাজিক বিষয়ক সেনেটর কাটিয়া কিপিং মঙ্গলবার এই কথা জানিয়েছেন৷

কিপিং জানান, অভিবাসীদের জন্য নতুন আবাসনের প্রয়োজনীয়তা বেড়েই চলেছে বার্লিনে।

বর্তমানে জার্মানির রাজধানীতে প্রায় ৭৫টি "শেয়ারড" আবাসনে ২০০র থেকেও কম জায়গা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘নির্ধারিত করে দেয়া প্রত্যেক গোষ্ঠীর আবাসনের জন্য গড়ে মাত্র দুই থেকে তিনটি খালি জায়গা পাওয়া যায়।’’

জার্মান সংবাদপত্র দ্য টাগেসস্পিগেল মঙ্গলবার লিখেছে, ২৫ হাজার ৯১৫টি জায়গার মধ্যে মাত্র ৮৫৪টি জায়গা খালি রয়েছে এখন।

বাম দলের সদস্য কিপিংয়ের কথায়,  "যখন বড় কোনো পরিবার জার্মানিতে আসে, তারা একই আবাসনে থাকতে চায়, এতে আরো সমস্য়া হয়। বাসস্থানের গুণগত মান কমানোর বিষয়টি আর উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে আবাসনের অভাবে অস্থায়ী আশ্রয়ে থাকতে হতে পারে৷

কিপিং জানান, চলতি বছরের মে মাসে এক হাজার ৮০ জন আশ্রয়প্রার্থী বার্লিনে এসেছিলেন। আফগানিস্তানের জন্য জার্মানির সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে অতিরিক্ত ২০০ জন এসেছিলেন এবং তাদেরও থাকার ব্যবস্থা করতে হয়েছিল।

এদিকে, ইউক্রেনীয় শরণার্থীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। প্রতি মাসে তাই এক হাজার ৭০০ থেকে দুই হাজার  "হাউজিং প্লেস " প্রয়োজন।কিপিং জানান, বার্লিনের অনেক স্থানীয়ই ইউক্রেনীয়দের নিজের বাড়িতে রাখার প্রস্তাব দেন। কিন্তু এখন সেই প্রস্তাব অনেকেই ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ফলে এত মাস পর অতিরিক্ত শরণার্থীদের "শেয়ারড" আবাসনে থাকতে হচ্ছে।

তার কথায়, ‘‘আবাসনের ঘাটতির ফলে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের অস্থায়ী আশ্রয়ে থাকতে হতে পারে। খাবারের সমস্যাও হতে পারে।’’ 

আরকেসি/এআই (ইপিডি)

 

অন্যান্য প্রতিবেদন