(ফাইল ছবি) নাইজার থেকে লিবিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রারত একদম অভিবাসী। যারা লিবিয়া থেকে  ইউরোপে পোঁছানোর চেষ্টা করবেন। ছবিটি ২০১৫ সালে তোলা। ছবি: এএফপি
(ফাইল ছবি) নাইজার থেকে লিবিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রারত একদম অভিবাসী। যারা লিবিয়া থেকে ইউরোপে পোঁছানোর চেষ্টা করবেন। ছবিটি ২০১৫ সালে তোলা। ছবি: এএফপি

মানব পাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। লিবিয়া, আলজেরিয়া, চাদ এবং বেনিনের মতো দেশের সীমান্তবর্তী প্রতিবেশী দেশ নাইজার ইউরোপে মানবপাচারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রবেশদ্বার।

সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং উত্তর আফ্রিকার মধ্যে সংযোগকারী পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজার মানব পাচারকারীদের কাছে সবসময় গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। লিবিয়া হয়ে ইউরোপে পৌঁছাতে চাওয়া অভিবাসীদের জন্য ট্রানজিটে পরিণত হয়েছে দেশটি।

২০১৫ সাল থেকে দেশটি মানবপাচার চক্র ও নেটওয়ার্কগুলোর কার্যক্রম কমিয়ে আনতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় প্রতিরোধ নীতি প্রয়োগ করে আসছে। 

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখতে, সীমান্ত সুরক্ষা এবং অবৈধ অভিবাসন থেকে বাঁচাতে বিকল্প উপায় বের করতে শনিবার একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইইউ এং নাইজার কর্তৃপক্ষ।

পড়ুন>>প্রতিবারে গেমে ব্যর্থ হলে পাচারকারীরা আবার টাকা দাবি করতো’

শনিবার ১৬ জুলাই, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে স্বাক্ষরিত নতুন চুক্তিটি নাইজারকে যৌথ তদন্ত দলের প্রভাব বাড়ানোর অনুমতি দেবে যা শুরুর দিকে ইউরোপীয় বেসামরিক মিশন (ইইউক্যাপ) সাহেল- নাইজার নামক একটি কাঠামোর আওতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

ইউরোপীয় কমিশনের মতে, “নাইজারের সঙ্গে স্বাক্ষর হওয়া সহযোগিতা চুক্তির সাহায্যে মানবপাচারের বিরুদ্ধে লড়াই দ্রুত গতিতে যাবে।”

ইইউ এবং নাইজার কর্তৃপক্ষের যৌথ সহযোগিতায় ২০১৭ সাল থেকেএ পর্যন্ত ৭০০ অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরা লিবিয়া হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে মানবপাচার করত। 

আরও পড়ুন>>নাইজার সীমান্তে ১০ অভিবাসীর মৃতদেহ উদ্ধার

নাইজেরিয়ার অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী হামাদু আদমাউ সোলির মতে, “এই নতুন সহযোগিতা চুক্তির ফলে সীমান্ত এবং অভিবাসী উভয়কেই রক্ষা করা সম্ভব হবে। ভুক্তভোগী অভিবাসীরা মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে চান এবং উদার আচরণ প্রত্যাশা করেন। নাইজার তাদের এই সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই কারণেই আমরা অভিবাসীদের জন্য সীমান্ত খুলে দিচ্ছি এবং তাদেরকে সমর্থন করার চেষ্টা করছি।”

হামাদু আদমাউ সোলির কথায়, “এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ইউরোপীয় কমিশনার যেন দ্রুত নতুন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে, যেমন অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যার সাহায্যে অভিবাসীদের নতুন কাজ দেয়া সম্ভব হবে। আগে থেকে বসবাস করা ব্যক্তিদের লিবিয়াসহ অন্য দেশে অনিয়মিত অভিবাসী হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবে এই চুক্তি।”



এমএইউ/আরকেসি 


 

অন্যান্য প্রতিবেদন