গ্রিসের রোডস দ্বীপ থেকে এজিয়ান উপকূল। ছবি গুগল স্ট্রিট ভিউ
গ্রিসের রোডস দ্বীপ থেকে এজিয়ান উপকূল। ছবি গুগল স্ট্রিট ভিউ

গ্রিক কোস্টগার্ড রোববার জানিয়েছে, রোডস দ্বীপের দক্ষিণ অংশ থেকে ৮৭ নটিক্যাল মাইল দূরে ঝুঁকিতে থাকা একটি জাহাজ থেকে ১২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এজিয়ান সাগরে তীরবর্তী গ্রিক দ্বীপ রোডসে উপকূল থেকে ১২২ জন অভিবাসীকে উদ্ধারের তথ্য দেশটির কোস্টগার্ড। 

অভিবাসীরা শনিবার তুরস্ক থেকে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী একটি মালবাহী জাহাজ যোগে রওনা দিয়েছিলেন। 

রোডস উপকূল থেকে ৮৭ নটিক্যাল মেইল দূরে অবস্থান করার সময় ঝুঁকিতে পড়ে গেলে গ্রিক কোস্টগার্ডের একটি দল অভিবাসীদের টহল বোটে স্থানান্তরিত করে পার্শ্ববর্তী কোস দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়।


তবে উদ্ধারকৃত অভিবাসীদের পরিচয় বা তাদের ব্যবহৃত জাহাজ সম্পর্কে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

পড়ুন>>মানবপাচার চক্রের নেটওয়ার্ক ভাঙার দাবি গ্রিক পুলিশের

এজিয়ান সাগরের গ্রিক-তুর্কি সীমান্তে অবস্থিত রোডস দ্বীপসহ বিভিন্ন দ্বীপ থেকে বেআইনি পুশব্যাকের জন্য বেশ কয়েকবছর ধরে সমালোচিত এথেন্স কর্তৃপক্ষ৷ ভুক্তভোগী অভিবাসীরা নিয়মিত ইনফোমাইগ্রেন্টসের সাথে যোগাযোগ করে এই সীমান্তে নিপীড়নের অভিযোগ জানিয়ে থাকেন৷

২০১৪ সালে এজিয়ান সাগরে ২৭ অভিবাসী বহনকারী একটি নৌকা ডুবিতে ১১ অভিবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় চলতি বছরের জুলাই মাসে গ্রিসের ভূমিকাকে নিন্দা জানিয়েছে ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালত (ইসিএইচআর)। পাশাপাশি নৌকাডুবির ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ১৬ ব্যক্তিকে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা প্রদানের নির্দেশ দেয় আদালত।

আরও পড়ুন>>‘ফ্রন্টেক্সের অর্থায়নে’ গ্রিস থেকে তুরস্কে পুশব্যাক!

পুশব্যাকের অভিযোগ ছাড়াও অভিবাসী এবং শরণার্থীদের নিয়ে যে মানবাধিকার কর্মীরা কাজ করেন, তাদেরকে গ্রিস কর্তৃপক্ষ অপরাধী হিসেবে দেখে বলে সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ পরিদর্শক মেরি লওলর। 

পড়ুন>>যেসব শর্তে বৈধতা পাবেন গ্রিসের অনিয়মিত বাংলাদেশিরা

আন্তর্জাতিক শরণার্থী সংস্থা-ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৭ জুলাই পর্যন্ত গ্রিসে ছয় হাজার ১৭১ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী পৌঁছেছেন৷ তাদের মধ্যে তিন হাজার ৩৮৮ জনই এসেছেন তুরস্কের উপকূল হয়ে৷ 


এমএইউ/এআই







 

অন্যান্য প্রতিবেদন