অনিয়মিত উপায়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে প্রতিবছর হাজার হাজার অভিবাসী ইউরোপের দেশগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করে থাকেন৷ ফাইল ছবি: রয়টার্স/ব্রান্ডেট যাবো৷
অনিয়মিত উপায়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে প্রতিবছর হাজার হাজার অভিবাসী ইউরোপের দেশগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করে থাকেন৷ ফাইল ছবি: রয়টার্স/ব্রান্ডেট যাবো৷

চলতি বছরের প্রথম আট মাসে অনিয়মিত পথে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ)-র দেশগুলোতে এক লাখ ৮৮ হাজার ২০০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রবেশ করেছেন৷ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে এমন ব্যক্তিদের প্রবেশ ২০১৬ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে ইউরোপিয়ান বর্ডার অ্যান্ড কোস্টগার্ড- ফ্রন্টেক্স৷

সংস্থাটি জানায়, ২০১৬ সালের পরের বছরগুলো বিবেচনায় নিয়ে দেখা গেছে, কোনো বছরের প্রথম আট মাসে, অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত সময়ে এতে অভিবাসনপ্রত্যাশী ইইউর দেশগুলোতে প্রবেশ করেননি৷  

সংস্থাটির হিসেব মতে, অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রবেশের এই সংখ্যা ২০১৬ সালের পর শতকরা ৭৫ ভাগ বেড়েছে৷  

বহিঃসীমান্ত পাড়ি দিয়ে এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে অনিয়মিতভাবে অভিবাসী হতে ইচ্ছুকদের ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত বিভিন্ন দেশে প্রবেশের সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে৷

যেমন গত আগস্ট মাসে ইইউর দেশগুলোতে অনিয়মিত উপায়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ৩২ হাজার ৮০০জন অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রবেশ করেছেন৷ 

পড়ুন: মানবাধিকার লঙ্ঘনে লিবিয়াকে সাহায্য ইইউর, অভিযোগ অভিবাসীদের 

ফ্রন্টেক্সের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের আগস্ট মাসে এভাবে প্রবেশ করা ব্যক্তির এই সখ্যা গত বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালের আগস্ট মাসের তুলনায় শতকরা ৩৫ ভাগ বেশি৷    

ফ্রন্টেক্স জানায়, আগস্টের শেষ পর্যন্ত অভিবাসনপ্রত্যাশীর আগমন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, পশ্চিম বলকান রুট দিয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ ইইউর দেশগুলোতে প্রবেশ করেছেন৷ উল্লেখিত সময়ে মোট ৮৬ হাজার ৫০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী পশ্চিম বলকান রুট দিয়ে প্রবেশ করেছেন৷  

পড়ুন: ইটালিতে আট মাসে সাত হাজারের বেশি বাংলাদেশি

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মধ্য-ভূমধ্যসাগর৷ উল্লেখিত সময়ে সাগর পাড়ি দিয়ে মোট ৫৩ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী ইইউর দেশ ইটালিতে প্রবেশ করেছেন৷      

তাছাড়া ২৫ হাজার ৫০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী পূর্ব-ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশে প্রবেশ করেছেন বলে জানা গেছে৷    

সংস্থাটি জানায়, চলতি বছরের প্রথম দশ মাসে ইইউর দেশগুলোতে প্রবেশ করা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে মোট ৪১ হাজার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ইংল্যান্ডে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছেন৷

আরআর/এসিবি (আনাদোলু এজেন্সি)  


 

অন্যান্য প্রতিবেদন