ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অভিবাসীরা প্রায়ই ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করে থাকেন৷ ফাইল ফটো৷ লেনন সালনের/সিওয়াচ টুইটার
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অভিবাসীরা প্রায়ই ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করে থাকেন৷ ফাইল ফটো৷ লেনন সালনের/সিওয়াচ টুইটার

ভূমধ্যসাগরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সপ্তাহান্তে পরিচালিত বেশ কয়েকটি অভিযানে প্রায় দেড়শ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে জার্মানির একটি বেসরকারি সংস্থার জাহাজ সি-ওয়াচ ৩ এবং হিউম্যানিটি ১।

জার্মানির জাহাজ সি-ওয়াচ জানায়, শনি ও রোববার ভূমধ্যসাগরে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ১২৭ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে। উদ্ধারকারী এ জাহাজটিতে এরইমধ্যে প্রায় দুইশ অভিবাসনপ্রত্যাশী রয়েছেন। সপ্তাহান্তের উদ্ধারকৃত নতুন এই অভিবাসনপ্রত্যাশীসহ জাহাজটি মোট ৩৯৪ জনকে নিয়ে বন্দরে পৌঁছানোর অপেক্ষায় রয়েছে।

বেসরকারি সংস্থার আরেকটি জাহাজ হিউম্যানিটি ১ একই সময়ে লিবিয়ার উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় ভাসমান অবস্থায় থাকা ২৫জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে। এই জাহাজটিতেও আগে থেকেই প্রায় দুইশ অভিবাসনপ্রত্যাশী ছিলেন। নতুন করে উদ্ধারকৃতদের নিয়ে এই জাহাজটিতে বর্তমানে ২০৭ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী রয়েছেন।  

পড়ুন: তুরস্কে থাকা সিরীয় অভিবাসীদের দলবেঁধে ইউরোপে যাওয়ার ঘোষণা

জাহাজ কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধার হওয়া ২৭ জনের মধ্যে অনেকেই আহত।

এদিকে, ভূমধ্যসাগরে ১২৯ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিয়ে তীরে ভেড়ার অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে বেসরকারি সংস্থার আরেকটি জাহাজ সি-আই ৪।

উল্লেখ্য, ভূমধ্যসাগরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বেসরকারি সংস্থার জাহাজ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে।

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধারের পর এসকল জাহাজকে নিকটবর্তী দেশগুলোর বন্দরে ভিড়ার অনুমতির জন্য প্রায়ই র্দীঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশ মাল্টা তাদের কোনো বন্দরে উদ্ধারকারী এসকল বেসরকারি সংস্থার জাহাজকে ভেড়ার অনুমতি প্রদান করে না।   

আরআর/এআই (ডিপিএ)

 

অন্যান্য প্রতিবেদন