পাচারকারীদের সহায়তায় হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রতিবছর ইটালিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করে থাকেন৷ ফাইল ফটো৷ এলোইজে লিডি, এমএসএফ
পাচারকারীদের সহায়তায় হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রতিবছর ইটালিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করে থাকেন৷ ফাইল ফটো৷ এলোইজে লিডি, এমএসএফ

মানবপাচারকারী সন্দেহে বৃহস্পতিবার ১২জনকে আটক করেছে ইটালির পুলিশ৷ পাচারচক্রের সাথে যুক্ত থাকার সন্দেহে আরো ছয় জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে কতৃর্পক্ষ৷

পুলিশের দাবি, সন্দেহভাজন এসকল ব্যক্তি আফ্রিকার দেশ টিউনিশিয়া থেকে ইটালির সিসিলিতে মানবপাচারের সাথে জড়িত৷ নৌকায় করে সাগর পাড়ি দিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের টিউনিশিয়া থেকে সিসিলিতে পাচার করতো তারা৷ 

১০ থেকে ৩০জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিয়ে নৌকাগুলো যাত্রা করতো আর প্রত্যেক অভিবাসনপ্রত্যাশীর কাছ থেকে পাচারকারীরা তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার ইউরো পর্যন্ত হাতিয়ে নিতো৷ এভাবে প্রতিটি যাত্রায় এসকল পাচারকারীরা ৩০ হাজার থেকে ৭০ হাজার ইউরো পর্যন্ত হাতিয়ে নিতো বলে দাবি পুলিশের৷ 

বিস্তারিত জানতে পুলিশ পাচারকারীদের মোবাইল ফোনের তথ্য যাচাই করেছে৷ তাতে দেখা যায়, যাত্রাপথে কোনো বিঘ্ন ঘটলে যেমন নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে পাচারকারীরা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকা থেকে সাগরে ফেলে দেওয়ার বিষয়ে কথা বলছে৷  

পড়ুন: মানবপাচার রোধে বাংলাদেশের আরও সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জাতিসংঘের  

সন্দেহভাজন এই পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসে তদন্ত শুরু করে পুলিশ৷ সেসময় সিসিলির গেলা বন্দরে একজন জেলে দুইশ’ হর্স পাওয়ার ইঞ্জিনের দুটি নৌকার সন্ধান পাওয়ার পর মূলত তদন্ত শুরু হয়৷ নৌকা দুটি সিসিলির কাতানিয়া বন্দর থেকে চুরি হয়েছিল৷

এই ঘটনার পর ১১ টিউনিশায়ন ও সাতজন ইটালিয়ানের বিরুদ্ধে প্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে পুলিশ৷   

আরআর/এসিবি (এপি)

 

অন্যান্য প্রতিবেদন